শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন
Shahzadpur Model Pilot High School Alumni Association (SMPHSAA)

গঠনতন্ত্র

১। প্রথম অনুচ্ছেদঃ প্রস্তাবনা ও সংজ্ঞা
২। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ নামকরণ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, কর্মসূচী, সদস্য
ধারা-১ঃ নামকরণ
ধারা-২ঃ প্রকৃতি/মর্যাদা
ধারা-৩ঃ প্রতীক/ মনোগ্রাম
ধারা-৪ঃ কর্মএলাকা
ধারা-৫ঃ ঠিকানা
ধারা-৬ঃ শাখা
ধারা-৭ঃ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
ধারা-৮ঃ সংগঠনের নিয়মিত কর্মসূচী ও অনুষ্ঠান সমুহ
ধারা-৯ঃ সদস্য পদ ও সদস্য হবার যোগ্যতা
ধারা-১০ঃ সম্মানিত দাতা
ধারা-১১ঃ সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য
ধারা-১২ঃ সদস্যদের অধিকার
ধারা-১৩ঃ সদস্যপদ বাতিল ও সাময়িক বাতিল
৩। তৃতীয় অনুচ্ছেদঃ সংগঠন পরিচালনা
ধারা-১৪ঃ সাংগঠনিক কাঠামো
ধারা-১৫ঃ বিভিন্ন পরিষদেও সভা
ধারা-১৬ঃ কোরাম ও সিদ্ধান্ত গ্রহন
ধারা-১৭ঃ কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ
ধারা-১৮ঃ কার্যকর পরিষদের নির্বাচন পদ্ধতি
ধারা-১৯ঃ কার্যকরী পরিষদের সাধারণ দায়িত্ব ও ক্ষমতা
ধারা-২০ঃ কার্যকরী পরিষদের নির্বাহীদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
ধারা-২১ঃ সংগঠনের সীলমোহর
৪। চতুর্থ অনুচ্ছেদঃ আর্থিক ব্যবস্থাপনা
ধারা-২২ঃ অর্থের উৎস ও ব্যবহার
ধারা-২৩ঃ হিসাব বহি সমুহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি
ধারা-২৪ঃ ব্যাংক হিসাব পরিচালনা
ধারা-২৫ঃ নিরীক্ষা
ধারা-২৬ঃ নিরীক্ষা কমিটি গঠন, দায়িত্ব ও ক্ষমতা
৫। পঞ্চম অনুচ্ছেদঃ গঠনতন্ত্র
ধারা-২৭ঃ গঠনতন্ত্র
ধারা-২৮ঃ গঠনতন্ত্রের সংশোধন/সংযোজন/বিয়োজন/পরিমার্জন

প্রথম অনুচ্ছেদঃ প্রস্তাবনা

১৮৮২ সালে তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহুকুমার শাহজাদপুর থানায় শাহজাদপুর হাই ইংলিশ স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে শাহজাদপুর মাল্টিলেটারাল হাই স্কুল, শাহজাদপুর পাইলট হাই স্কুল এবং সবশেষে শাহজাদপুর মডেল পাইলট হাই স্কুল হিসাবে নামকরণ হয়। সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিটি উপজেলায় একটি করে সরকারী হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার অংশ হিসাবে স্কুলটি শাহজাদপুর সরকারী হাই স্কুল হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে যাচ্ছে। প্রতষ্ঠিার পর থেকে এই বিদ্যালয়ের সম্মানতি শিক্ষর্থীগণ সময়রে প্রয়োজনে দশেমাতৃকার কল্যাণে র্সবোচ্চ আত্মত্যাগরে বনিমিয়ে সময়ে সময়ে মানবতার জয়গান গয়েছেনে এবং ইতহিাস সৃষ্টি করছেনে। ব্রটিশি সাম্রাজ্যবরিোধী ডামাডোলরে প্রখর উত্তাপ, অতঃপর ১৯৪৭ সালে ব্রটিশি শাসনরে অবসান এবং ব্রটিশিদরে তাড়ানোর মোহভঙ্গরে পরই আবার পাকস্তিানি শাসকদরে স্বরৈশাসন-শোষণ -বষৈম্যরে বরিুদ্ধে স্বাধকিার রক্ষা ও আত্মনয়িন্ত্রণাধকিার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম,’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নর্বিাচন,’৬২-এর ছাত্র আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয় দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭১-এর মহান মুক্তযিুদ্ধ এবং র্সবোপরি ’৯০-এ স্বরৈাচারবরিোধী আন্দোলনে অত্র বদ্যিালয়রে শক্ষর্িাথীগণ গৌরবোজ্জ্বল ভূমকিা রখেছেলিনে। অধকিন্তু দশেরে র্আথসামাজকি ও রাজনতৈকি স্বাধকিার আদায় এবং শক্ষিা-সংস্কৃতি তথা জ্ঞানভত্তিকি সমাজ প্রতষ্ঠিার ক্ষত্রেওে গুরুদায়ত্বি পালন করছেনে এই বদ্যিালয়রে শক্ষর্িাথীগণ। সঙ্গত কারণইে শাহজাদপুর মডলে পাইলট উচ্চ বদ্যিালয়কে এতদাঞ্চলরে বাতঘির বললে অত্যুক্তি হয় না। একারণইে হয়তো বশ্বিকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বদ্যিালয় পরর্দিশনে এসে তাঁর মুগদ্ধতার কথা জানয়িছেলিনে। ১৮৮২ সালে প্রতষ্ঠিতি বদ্যিালয়টরি অনকে সুনাম এবং ঐতহ্যি থাকলওে একটি বষিয়ে বদ্যিালয় এবং বদ্যিালয় সংশ্লষ্টি সুধীসমাজ ( প্রাক্তন শক্ষর্িাথীবৃন্দ ) বশে পছিয়িে রয়ছেনে। আর তা হোল (২০১৮-১৮৮২) ১৩৬ বছর অতক্রিান্ত বদ্যিালয়টরি অদ্যাবধি কোনো এলামনাই এসোসয়িশেন নাই -যা বদ্যিালয় এবং বদ্যিালয় সংশ্লষ্টি সুধী সমাজরে জন্য হতাশার। কয়েকজন উদ্যমী সাবেক শিক্ষার্থী ২০১৭ সালের শেষেরদিকে বিদ্যালয়ের একটি এ্যালাম্নাই এসোশিয়েশন গঠন করার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে মার্চ ২৬, ২০১৮ তারিখে একটি সভার মাধ্যমে এই সংগঠনটি শুরু করার চুড়ান্তÍ সিদ্ধান্তÍ গ্রহণ করা হয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

ধারা-১ঃ নামকরণ
এ সংগঠনের নাম বাংলায় ‘শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এ্যালামনাই এসোসিয়েশন’ এবং ইংরেজিতে Shahzadpur Model Pilot High School Alumni Association (SMPHSAA) নামে অবহিত করা হবে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের (বিদ্যালয়) নাম পরিবর্তীত হলে এসোসিয়েশনের নাম প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তিত হবে।
ধারা-২ঃ প্রকৃতি ও মর্যাদা
সংগঠনটি সম্পূর্ণরূপে রাজনীতি নিরপেক্ষ থাকবে। সংগঠনটি কোন রাষ্ট্র বা সমাজবিরোধী কোন কর্মকান্ডে
অংশগ্রহন করতে পারবে না। এটি কল্যাণমূখী একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচালিত
হবে।

ধারা-৩ঃ প্রতীক/মনোগ্রাম
সংগঠনের একটি নিজ¯ ^ প্রতীক বা মনোগ্রাম থাকবে যা নি¤œরূপঃ

এটির অর্থ

ধারা-৪ঃ কর্মএলাকা
সাধারণভাবে সংগঠনটির কর্মএলাকা হবে সমগ্র বাংলাদেশ। তবে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনμমে অন্যান্য
দেশে কার্যμম সম্প্রসারণ করা যাবে।

ধারা-৫ঃ ঠিকানা
সংগঠনের প্রধান কার্যালয় শাহজাদপুরে অবস্থিত হবে। স্থায়ী কার্যালয় না হওয়া পর্যন্ত ‘ শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, শাহজাদপুর ’ এই ঠিকানাটি সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করা
হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সংগঠনের শাখা কার্যালয় খোলা যাবে।

ধারা-৬ঃ শাখা
কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনμমে দেশের বিভাগীয় শহরে ন্যূনতম ১০ জন, অন্যদেশে বা অন্যদেশের প্রধান
শহরে ন্যূনতম ৫ জন সদস্য সমন্বয়ে সংগঠনটির শাখা খোলা যাবে।

ধারা-৭ঃ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১। শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের একটি ফোরাম
হিসাবে কাজ করা,
২। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে বিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী ভূমিকা পালনে সচেষ্ট থাকা।
৩। বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধনের মাধ্যমে তাদের একাডেমিক ও নন-একাডেমিক
বিভিন্ন বিষয়ের জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করা।
৪। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে সহায়তা করা।
৫। সমষ্টিগত উদ্যোগে সদস্য, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বতর্ম ান শিক্ষার্থীদের এবং দেশ ও জাতীর কল্যাণে
ভূমিকা পালন করা।
৬। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুরূপ সংগঠন/প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতামুলক কার্যμম পরিচালনা করা।

ধারা-৮ঃ সংগঠনের নিয়মিত কর্মসূচী ও অনুষ্ঠানসমুহ

১। বিভিন্ন সময়ে সভা, সম্মিলনী, সেমিনার, প্রদর্শনী, পরিবার দিবস, পূনর্মিলণী, ভ্রমন ইত্যাদি আয়োজন করা।
২। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও প্রনোদনা প্রদান।
৩। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও মানসিক বিকাশে সহায়ক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা।
৪। জরুরী প্রয়োজনে আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা।
৫। বিশেষ অবদানের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের
সম্মাননা ও স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করা।
৬। সময়ে সময়ে কার্যকরী পরিষদ বা সাধারণ পরিষদ কর্তূক গৃহীত অন্যান্য কর্মসূচী পালন করা।

ধারা-৯ঃ সদস্যপদ ও সদস্য হবার যোগ্যতা
এই সংগঠনে নি¤œরূপ তিন ধরনের সদস্যপদ থাকবে।
ক) সাধারণ সদস্যঃ
(১) শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি অথবা অস্টম শ্রেনী কোন ডিগ্রী
অর্জনকারী সাবেক শিক্ষার্থীগণ
(২) শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকগণ (যাঁরা এ বিদ্যালয় হতে কোন ডিগ্রী অর্জন করেননি)
কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত সদস্যফরম পুরণ করে এবং নির্ধারিত চাঁদা ও নিবন্ধন ফি পরিশোধ করে এই সংগঠনের
সহযোগী সদস্য হতে পারবেন। প্রাথমিক ভাবে সাধারণ সদস্যপদের চাঁদা হবে বার্ষিক ১০০/-(একশত) টাকা এবং সদস্য ফি
হবে ১০০/-(একশত) টাকা অর্থাৎ সাধারণ সদস্য হতে হলে মোট ২০০/- টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং পরবর্তীতে প্রতি
বছর সদস্যপদ নবায়নের জন্য চাঁদা প্রদান করতে হবে ১০০/- টাকা হাওে, কিন্তু সদস্য ফি কোন সদস্য একবারই প্রদান
করবেন।
খ) আজীবন সদস্যঃ
সাধারণ সদস্যপদ প্রাপ্তির যোগ্য যে কেউ (সাধারণ সদস্য হোক বা না হোক) নির্ধারিত সদস্যফরম পুরণ করে
এবং নির্ধারিত চাঁদা ও নিবন্ধন ফি পরিশোধ করে এই সংগঠনের আজীবন সদস্য হতে পারবেন। প্রাথমিক ভাবে
আজীবন সদস্যপদের চাঁদা হবে ৩০০০/- (তিন হাজার) টাকা এবং সদস্য ফি ১০০/-(একশত) টাকা । আজীবন
সদস্য হতে হলে মোট ৩১০০/- টাকা পরিশোধ করতে হবে।
গ) সহযোগী সদস্যঃ
যে সকল সাবেক শিক্ষাথীর্ এ বিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর এখান থেকে শিক্ষাকার্যμম সম্পন্ন না করে অন্যত্র নূন্যতম
এসএসসি ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন তারা সহযোগী সদস্য হতে পারবেন ৩০০০/- (তিন হাজার) টাকা প্রদানের
মাধ্যমে। সহযোগী সদস্যদের ভোটাধিকার থাকবে না। উল্লেখ্য যে শুধুমাত্র সাধারণ ও আজীবন সদস্যদের সাধারণ সভায় ভোটাধিকার থাকবে এবং শুধুমাত্র তারাই কার্যকরী পরিষদে নির্বাচিত হতে পারবেন। সাধারণ সদস্যদের নির্ধারিত চাঁদা নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে অন্যথায় সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। সদস্যপদের জন্য বার্ষিক চাঁদার হার ও নির্ধারিত ফরম কার্যকরী পরিষদ সময়ে সময়ে পূর্ণনির্ধারন করতে পারবে।

ধারা-১০ঃ সম্মানিত দাতাঃ
যে কোন ব্যক্তি নূন্যতম ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অ্যাসোসিয়েশনের তহবিলে দান করলে তিনি সম্মানিত
দাতা হিসেবে মর্যাদা প্রাপ্ত হবেন। তার নাম দাতা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি সাধারণভাবে সংগঠনের
কোন সভায় উপস্থি হতে পারবেন না তবে আমন্ত্রণμমে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন।

ধারা-১১ঃ সদস্যদের দায়িত্ব ও কতর্ব ্য
১। গঠনতন্ত্রের উপর অবিচল আস্থা, আনুগত্য ও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে,
২। সংগঠনের নিয়মাবলী ও কার্যকরী পরির্ষদের সিদ্ধাš Í মেনে চলতে হবে,
৩। কার্যকরী পরিষদে নির্বাচিত বা মনোনীত হলে দায়িত্ব পালন করার মানসিকতা থাকতে হবে,
৪। সংগঠনের যে কোন অনুষ্ঠান বা কর্মসূচীতে সাধ্যমত সহায়তা এবং উপস্থিত থাকবেন,
৫। কার্যকরী পরিষদ নির্বারিত বার্ষিক চাঁদা বা কোন বিশেষ চাঁদা নিয়মিত পরিশোধ করবেন এবং
৬। বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকবেন।

ধারা-১২ঃ সদস্যদের অধিকার
১। সাধারণ ও আজীবন সদস্যগণ সাধারণ সভায় উপস্থিত থেকে সংগঠনের আয়-ব্যয় হিসাব ও বার্ষিক
কার্যবিবরণীর উপর আলোচনা, সমালোচনা করতে পারবেন বা কার্যকরী পরিষদের নিকট জবাবদিহিতা চাইতে
পারবেন,
২। সাধারণ ও আজীবন সদস্যগণ কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে এবং অন্যান্য ইস্যুতে প্রয়োজনে ভোটাধিকার প্রয়োগ
করতে পারবেন,
৩। সাধারণ ও আজীবন সদস্যগণ কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন পদের জন্য নির্বাচন করতে পারবেন,
৪। সহযোগী সদস্যগণ আমন্ত্রণ μমে সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন তবে তাদের কোন ভোটাধিকার
থাকবে না, কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন পদের জন্য নির্বাচিত বা মনোনীত হতে পারবেন না। তারা সাধারণ
আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত কোন উপ-কমিটিতে সদস্য হতে পারবেন।

ধারা-১৩ঃ সদস্যপদ বাতিল/সাময়িক বাতিল
(ক) কোন সদস্য নিজ ইচ্ছায় সদস্য পদ প্রত্যাহার করতে চাইলে তিনি নির্বাহী পরিষদের নিকট লিখিত
আবেদনের মাধ্যমে সদস্য পদ প্রত্যাহার করতে পারবেন
(খ) কোন সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও স¦ার্থ বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হলে বা অ্যাসোসিয়েশনের
নিয়ম ভঙ্গ করলে অথবা অ্যাসোসিয়েশনের সুনাম ভঙ্গের কাজ করলে নির্বাহী পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের
সুপারিশ ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদনμমে সেই সদস্যের সদস্যপদ সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বাতিল বা স্থগিত
করা যাবে।
(গ) একবার সদস্যপদ বাতিল বা সাময়িকভাবে বাতিল বা স্থগিত হলে তা পুনর্বহালের জন্য সাধারণ পরিষদের
সভায় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ

ধারা-১৪ঃ সাংগঠনিক কাঠামো
সংগঠনের পরিচালনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হবে নি¤œরুপঃ
ক) সাধারণ পরিষদঃ
সকল সাধারণ ও আজীবন সদস্যের সমন্বয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে। এ পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ পরিষদ।
সংগঠ্েনর যাবতীয় কার্যμম বিশেষ করে কার্যকরী পরিষদের ভূমিকা ও কার্যμম পর্যালোচিত হবে সাধারণ সভার
মাধ্যমে। সাধারণ পরিষদ প্রয়োজনে অন্য কোন কমিটি যেমন “উপদেষ্টামন্ডলী”, “নিরীক্ষা কমিটি”, কোন বিশেষ
উপ-কমিটি ইত্যাদি গঠন করতে পারবে।
খ) কার্যকরী পরিষদঃ
সংগঠনের দৈনন্দিন কার্য পরিচালনার জন্য ২১ (একুশ) সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী পরিষদ থাকবে। কার্যকরী
পরিষদের গঠন হবে নিম¤œরুপঃ
১। সভাপতি ১ জন
২। সহসভাপতি ২ জন
৩। সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪। কোষাধ্যক্ষ ১ জন
৫। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ২ জন
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক ১জন
৬। দপ্তর সম্পাদক ১ জন
৭। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন
৮। সমাজকল্যাণ সম্পাদক ১ জন
৯। সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১
৭। নির্বাহী সদস্য ৯ জন

দেশে বা বিদেশে গঠিত শাখাসমূহের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কো-অর্ডিনেশন কমিটি বা উপকমিটি থাকবে
যার গঠন হবে নি¤œরূপ:
১। প্রধান সমন্বয়ক ১ জন
২। সমন্বয়ক ২ জন
প্রতিটি শাখার সদস্যগণ মনোনয়নের (প্রস্তাব ব ও সমর্থনের) মাধ্যমে এদের নির্বাচন করবেন এবং কার্যনির্বাহী
পরিষদের অনুমোদনμমে তা চুড়ান্ত হবে। প্রধান সমন্বয়ক ও সমন্বয়কগণ কার্যনির্বাহী পরিষদের সাথে যোগাযোগ
রেখে কার্যনির্বাহী পরিষদ গৃহীত সিদ্ধান্ত ও অনুষ্ঠানাদি আয়োজনের কাজে সহায়তা করবেন। আমন্ত্রিত হয়ে তাঁরা
কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অংশ নিতে পারবেন তবে ভোটাধিকার থাকবে না।

গ) উপদেষ্টামন্ডলীঃ
অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের মধ্য থেকে ন্যূনতম ৭ (সাত) জনকে নিয়ে উপদেষ্টা মন্ডলী গঠিত হবে। নির্বাহী
পরিষদ উপদেষ্টামন্ডলী গঠন করবেন এবং এই উপদেষ্টামন্ডলীর মেয়াদ পরবতীর্ নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নতুন
উপদেষ্টামন্ডলী গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
ধারা-১৫ঃ বিভিন্ পরিষদের সভা
সংগঠনের কার্যμম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে সাধারণ ও কার্যনির্বাহী পরিষদের নি¤œলিখিত সভা অনুষ্ঠিত হবে।
উপ-কমিটি নিজেদের সুবিধামতো সমন্বয় সভা করতে পারবে। উপদেষ্টামন্ডলী কার্যনির্বহী পরিষদের সভায়
আমন্ত্রণμমে উপস্থিত থেকে তাদের মতামত ও পরামর্শ প্রদান করবেন।

ক) সাধারণ পরিষদের সভাঃ
(১) সাধারণ সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভা বছরে অন্তত একবার সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। কার্যকরী পরিষদ এই সভার তারিখ চুড়ান্ত করে কমপক্ষে একমাস পূর্বে নোটিশ প্রদান করে সাধারণ সভা আয়োজন করবে।
বার্ষিক সাধারণ সভা প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতরের পরেরদিন আয়োজন করতে হবে তবে কোন কারনে আয়োজন করা সম্ভব না হলে নির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভায় আলোচনা করে যথাদ্রুত সম্ভব বার্ষিক সাধারণ সভা আহবান করতে হবে। সভার আলোচ্যসূচী নির্ধারিত হবে কার্যকরী পরিষদের সভায়।
কোন সদস্য কোন বিষয়ে আলোচনার জন্য দাবী জানালে তা সাধারণ সভার নোটিশ প্রেরণের ১৫ দিন পূর্বেই কার্যকরী পরিষদকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। সাধারণ পরিষদের সভায় সকল সাধারণ ও আজীবন সদস্যকে লিখিত (ডাক বা ইমেইল) নোটিশ ন্যূনতম ৭ দিন পূর্বে প্রেরণ করতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ যোগাযোগের
সুবিধার জন্য অন্যান্য প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাহায্য নিতে পারবে।
(২) বিশেষ বা জরুরী সাধারণ সভা কার্যনির্বাহী পরিষদ যদি মনে করে কোন জরুরী বিষয় সাধারণ পরিষদে
আলোচনা ও সিদ্ধান্তÍ প্রয়োজন তাহলে ১৫ দিনের নোটিশে বিশেষ বা জরুরী সাধারণ সভা আহ্বান করবে। তবে
এরূপ সভা অনুষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টামন্ডলীর যৌথ সভায় গ্রহণ করতে হবে।
(৩) তলবী সাধারণ সভাঃ মোট সদস্যের ২০% বা তার বেশী সদস্য লিখিতভাবে কোন কারণে সাধারণ সভা
আহবানের দাবী জানালে বা নোটিশ প্রদান করলে কার্যকরী পরিষদ দাবী জানানোর ১ মাসের মধ্যে নূন্যতম ০৭
(সাত) দিনের বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ সভা আহবান করবেন।

খ) কার্যকরী পরিষদের সভাঃ
প্রতি বছর কার্যকরী পরিষদের অন্তত ৩টি সভা আয়োজন করতে হবে। কার্যকরী পরিষদের সভায় উপদেষ্টাদেরকে উপস্থিতি প্রয়োজন হলে তাঁদেরকে সভায় উপস্থিতির জন্য সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক অনুরোধ জানাবেন। সাধারণভাবে সভাপতির সাথে আলোচনা করে সাধারণ সম্পাদক দপ্তর সম্পাদকের মাধ্যমে ন্যূনতম ৩ দিনের নোটিশে কার্যকরী পরিষদের সভা আহবান করবেন তবে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক উদ্দেশ্যমুলকভাবে দীর্ঘদিন সভা আহবান না করলে বা কোন কারনে সভা আহবান করতে ব্যর্থ হলে কার্যকরী পরিষদের যে কোন সদস্য উপদেষ্টাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে সভা আহবান করতে পারবেন।
ধারা-১৬ঃ সভার কোরাম ও সিদ্ধান্তÍ গ্রহণ
ক) সাধারণ সভার কোরাম হবে সাধারণ ও আজীবন সদস্যদের মোট সংখ্যার কমপক্ষে এক পঞ্চমাংশ। উল্লেখ্য সাধারণ সভার কোরাম হিসাবকালে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবার আগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার তারিখের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী কোরাম হিসেব করতে হবে। বিশেষ/জরুরী/তলবী সাধারণ সভার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী সাধারণ সভার সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী কোরাম হিসাব করতে হবে। যে বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে সে সভার ক্ষেত্রে নির্বাচনী তফসিলে বর্নিত তারিখে ভোটার সংখ্যা বিবেচিত হবে।
খ) কার্যকরী পরিষদের সভার কোরাম হবে মোট সদস্যের এক তূতীয়াংশের বেশী।
গ) যে কোন পরিষদের আহুত সভা কোরাম সংকটের কারনে অনুষ্ঠিত না হলে উপস্থিত সদস্যগন রেজুলেশন খাতায় তা উল্লেখ করে সভা মূলতবী ঘোষনা করবেন এবং মূলতবী সভার তারিখ ঘোষনা করবেন ও ৭ দিনের নোটিশ প্রেরণ করবেন। ঘোষিত তারিখে মূলতবী সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং মূলতবী সভায় কোরাম পূরণ না হলেও সভা বৈধ বলে বিবেচিত হবে তবে মুলতবী সভায় মূল সভার আলোচ্য সূচীর অতিরিক্ত কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হতে পারবেনা।
গ) যে কোন পরিষদের সভায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দ্বারা সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে তবে গঠনতন্ত্র বিষয়ক যে কোন সিদ্ধান্ত উপস্থিত সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশের সম্মতিতে গৃহীত হবে এবং গঠনতন্ত্রের অন্যত্র বর্ণিত বা নির্ধারিত বিষয়ে সে অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হবে। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিষয়ে সমতা পরিস্থিতি তৈরী হলে সভাপতি তার কাষ্টিং ভোট প্রদান করে সিদ্ধাš Í গ্রহণ করতে পারবেন তবে তা সভাপতির ইচ্ছাধীন হবে এবং তিনি মনে করলে কাষ্টিং ভোট প্রদান না করে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তটি পরবর্তী সভার জন্য মুলতবী করতে পারবেন।
ধারা-১৭ঃ কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ
১। কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ হবে সাধারণ ভাবে দুই বছর এবং তা ইংরেজী পঞ্জিকা বর্ষ (জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর) অনুযায়ী হিসাব করা হবে।
২। কোন জরুরী অবস্থা বা প্রাকৃতিক দুর্বিপাকের কারনে যথাসময়ে কার্যকরী পরিষদ গঠন করা সম্ভব না হলে
কার্যকরী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে পরিষদের মেয়াদ এক এক বারে সর্বোচ্চ দুই মাস বর্ধিত করতে পারবে। এরূপভাবে বর্ধিত কার্যকরী পরিষদের পরবর্তী কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ বর্ধিত সময় পরিমান কম হবে।
৩। জরুরী অবস্থায় গঠিত যে কোন আহবায়ক/এডহক কমিটির (যে নামেই অভিহিত হোক না কেন) মেয়াদ হবে
পরবর্তী সাধারণ সভা পর্যন্ত
ধারা-১৮ঃ কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন পদ্ধতি
(ক) নির্বাহী পরিষদ ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। যেখানে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুইজন নির্বাচন কমিশনার থাকবে। এই কমিশন নির্বাহী পরিষদের সহায়তায় নির্বাচনের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, তবে নির্বাচন কমিশনের কোন সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
(খ) নির্বাচনের বছরে বার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন হবে।
(গ) আজীবন সদস্য ও চাঁদা হালনাগাদ করা সাধারণ সদস্যগণই নির্বাচন প্রμিয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন।
(ঘ) নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর যারা সদস্য হবেন তারা ঐ নির্বাচন প্রμিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না অর্থাৎ প্রাথীর্ হতে পারবেন না এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না।
(ঙ) নির্বাচন কমিশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং অ্যাসোসিয়েশনের সার্বিক সহায়তাসহ যে কোন সদস্যের সহযোগিতা গ্রহণ করতে পারবেন।
(চ) গঠিত নির্বাচন কমিশন ১৫ (পনর) দিনের মধ্যে নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করবেন। কমিশন আজীবন ও সাধারণ সদস্যদের নূন্যতম ৩০ (ত্রিশ) দিনের সময় দিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার সুযোগ দেবেন।
(ছ) প্রতি দুই বছর অন্তর অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে
(জ) নতুন নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের বছর নির্বাহী পরিষদের মাধ্যমে পূরনো কমিটির মেয়াদপূতির্র ২ মাস আগেই অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার আয়োজন করতে হবে যেখানে পরবর্তী কমিটি নির্বাচিত হবে। তবে এই পরবর্তী কমিটি নির্ধারিত মেয়াদান্তে দ্বায়িত্ব গ্রহন করবে। কোন কারনে ঐ সময়ে সাধারণ সভার আয়োজন না করা গেলে মেয়াদ শেষে সর্বোচ্চ ২ মাসের মধ্যে সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে।
(ঝ) অনিবার্য কারণবশত: নির্ধারিত সময় যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয় সেক্ষেত্রে সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে উক্ত মেয়াদ সর্বোচ্চ ২ (দুই) মাসের জন্য বর্ধিত করা যেতে পারে।
(ঞ) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পরপর দুই মেয়াদের বেশি একই পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
ধারা-১৯ঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ দায়িত্ব, ক্ষমতা ও বিধি
(ক) সংগঠনের সকল প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কার্যাবলী পরিচালনা, কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের সাবির্ক ক্ষমতা থাকবে।
(খ) নির্বাহী পরিষদ তাদের মেয়াদ কালীন সময়ের জন্য বাজেট প্রণয়ন করবে এবং পরবর্তী সাধারণ সভায় এই বাজেট এর অনুমোদন নিবেন।
(গ) নিবার্হ ী পরিষদ তাদের মেয়াদকালীন সময়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবের অডিট রিপোর্ট সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।
(ঘ) নির্বাহী পরিষদ জাতীয় ও আরম্ভ আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সরকারের সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে।
(ঙ) অ্যাসোসিয়েশনের স¦ার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।
(চ) গঠনতন্ত্রের কোন ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে উপদেষ্টামন্ডলির পরামর্শ গ্রহণ করবেন এবং নির্বাহী পরিষদ প্রয়োজন অনুসারে এক বা একাধিক উপকমিটি গঠন করতে পারবে।
(ছ) কোন কারণে নির্বাহী পরিষদে কোন কর্মকর্তা র নির্বাহী সদস্যপদ শণ্যূ হলে উক্ত অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাহী পরিষদ সাধারণ/আজীবন সদস্যদের মধ্য থেকে কো-অপট করবেন এবং এ জন্য সর্বোচ্চ তিন জনকে কো-অপট করা যাবে। তারা পরিষদের মেয়াদকাল পর্যন্ত কার্যরত থাকবেন।
(জ) অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনের জন্য নির্বাহী পরিষদ ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।
(ঝ) নির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য পরপর অনুষ্ঠিত নির্বাহী পরিষদের ৩টি সভায় পূর্বে অবহিত না করে (বিনা নোটিশে) অনুপস্থিত থাকলে তার নির্বাহী পরিষদের সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য করা হবে ।
ধারা-২০ঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগন সম্মিলিতভাবে সাধারণ সম্পাদকের নির্বাহী নেতৃত্বে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদ, সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল সদস্য কাজ করবেন। বিশেষ করে নিন্নবর্নিত স্ব স্ব দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন।
১) সভাপতিঃ
সভাপতি এই অ্যাসোসিয়েশনের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। তিনি অ্যাসোসিয়েশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
তিনি সভা আহবান করার জন্য সাধারণ সম্পাদককে পরামর্শ দেবেন। সাধারণ সম্পাদক সভা আহবানে অপারগ হলে বা জরুরী সভা ডাকার প্রয়োজন হলে সভাপতি সভা আহবান করবেন। সভাপতি ৬ মাস পরপর নূন্যতম একবার উপদেষ্টামন্ডলীকে সমিতির কার্যμম সম্পর্কে অবহিত করবেন।
২) সহ-সভাপতিঃ
সভাপতি সর্বপ্রকার কাজে তিনি সμিয় সহযোগিতা করবেন ও সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে বা পদত্যাগ করলে বা দায়িত ¡ পালনে অসমর্থ হলে জ্যেষ্ঠতার μমানুযায়ী সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং সেক্ষেত্রে সভাপতির ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এছাড়াও তাঁরা বিভিন্ন উপ-কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
৩) সাধারণ সম্পাদকঃ
অ্যাসোসিয়েশনের সার্বিক কাজের তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবেন। সভাপতির পরামর্শμমে সভা আহবান করবেন এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করবেন। তিনি সাধারণ পর্ষদের সভায় অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করবেন।

৪) কোষাধ্যক্ষঃ
এসোসিয়েশনের বাজেট প্রণয়ন, আয়-ব্যয়ের যাবতীয় হিসাব সংরক্ষণ, ক্যাশ বই লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করবেন।
তিনি বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন ও অডিটকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ সভায় পেশ করবেন।

৫) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ
তিনি সাধারণ সম্পাদকের সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সাধারণ সম্পাদক অনুপস্থিত থাকলে বা পদত্যাগ করলে বা দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে জ্যেষ্ঠতার μমানুযায়ী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত পালন করবেন এবং সেক্ষেত্রে সাধারণ সম্পাদকের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন ।

৬) সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর পরামর্শ অনুযায়ী বার্ষিক কর্মসূচী নির্ধারণ করবেন এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন করার কাজে সমšয়^ করবেন। বিশেষ করে সংগঠনের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধির ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী পরিষদ বা সাধারণ সম্পাদক প্রদত্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।

৭) দপ্তর সম্পাদকঃ
তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনা অনুযায়ী সংগঠনের যাবতীয় দাপ্তরিক কাজকর্ম সম্পাদন করবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ বা সাধারণ সম্পাদক প্রদত্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।

৮) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ
তিনি সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে সংবাদপত্রে বিবৃতি প্রেরন, বিভিন্ন স্মরণিকাসহ অন্যান্য প্রকাশনার দায়িত ¡ পালন করবেন এবং সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সংμান্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী পরিষদ বা সাধারণ সম্পাদক প্রদত্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।

৯। নির্বাহী সদস্যঃ
তিনি সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ বা সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন, কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিনড়ব কার্যμমে অন্য নির্বাহীগণকে সμিয় সহায়তা প্রদান করবেন এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন উপকমিটিতে দায়িত ¡ পালন করবেন।

ধারা-২১ঃ সংগঠনের সীলমোহর
সংগঠনের একটি অফিসিয়াল সীলমোহর থাকবে যা সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকবে। এছাড়াও প্রয়োজনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ আলাদা সীলমোহর ব্যবহার করতে পারবেন।

চতুথর্ অনুচ্ছেদ

ধারা-২২ঃ অর্থের উৎস ও ব্যবহার
এই সংগঠনের অর্থের উৎস নি¤œরূপঃ
১। সদস্য ফি
২। কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ধার্যকৃত অনুষ্ঠান বাবদ চাঁদা ও অন্যান্য চাঁদা
৩। সদস্য, উপদেষ্টা ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রদত্ত অনুদান
৪। সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত অনুদান
৫। বাংক/বিনিয়োগ হতে আয়
৬। বিভিন্ন প্রকাশনায় বিজ্ঞাপন বাবদ আয়
৭। বিবিধ
এই সংগঠনের অর্থ নিমন্মরূপ কর্মসূচী বাস্তবায়নে ব্যয় করা যাবেঃ
১। সংগঠনের দৈনন্দিন ব্যয়
২। বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে ব্যয়
৩। বিভিন্ন পরিষদের সভা আয়োজন বাবদ ব্যয়
৪। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিবিধ ব্যয়।
তবে উল্লেখ থাকে যে আজীবন সদস্য ফি, সম্মানিত দাতাদের প্রদত্ত এককালীন অনুদান অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ব্যয় অযোগ্য ঘোষিত কোন তহবিল কোনμমেই সংগঠনের স্থায়ী সম্পদ μয় ও তার উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোন খাতে ব্যয় করা যাবে না। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত ছাড়া আর্ত মানবতার কল্যানের জন্য গঠিত তহবিল, ত্রান তহবিল বা ছাত্রবৃত্তি তহবিলের জন্য সংরক্ষিত অর্থ (যদি থাকে) অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। সংগঠনের কোন স্থায়ী সম্পদ μয় বা অবকাঠামো নির্মানের সিদ্ধান্ত অবশ্যই কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদিত হতে হবে।

ধারা-২৩ঃ হিসাব বহিসমুহ ও সংরক্ষণ পদ্ধতি
১। হিসাব পরিচালনার সুবিধার্থে কোষাধ্যক্ষ অবশ্যই প্রয়োজন মত হিসাব বহিসমুহ সংরক্ষণ করবেন এবং তাতে সকল আয়-ব্যয়, প্রাপ্তি-পরিশোধ যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করবেন।
২। প্রতিটি ব্যয়ের অনুমোদিত ভাউচার পরবর্তী নিরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে
৩। সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এককভাবে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের ভাউচার অনুমোদন করতে পারবেন। দুই জন যৌথভাবে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের ভাউচার অনুমোদন করতে পারবেন। ব্যয়ের পরিমান এর বেশী হলে তা কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদিত হতে হবে।
৪। নির্দিষ্ট কর্মসূচী বাস্তবায়ন ব্যয় যেমন ছাত্র বৃত্তি, পরিবার দিবস, বনভোজন, ত্রাণ কার্যμম ইত্যাদি সংμান্তÍ ব্যয় সংশ্লিষ্ট উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের তত্বাবধানে আলাদাভাবে কোষাধ্যক্ষের জ্ঞাতসারে হবে এবং তা যথাযথ ভাবে কর্মসূচী শেষ হবার পর পরবতীর্ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবার পূর্বেই কোষাধ্যক্ষের নিকট বুঝিয়ে দিতে হবে।
৫। কার্যনির্বাহী পরিষদ তাদের প্রথম সভায় বার্ষিক আয়-ব্যয়ের একটি বাজেট কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে উপস্থাপন করবেন এবং তা অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।

ধারা-২৪ঃ ব্যাংক হিসাব পরিচালনা
১। সংগঠনের নামে বাংলাদেশের যে কোন তফশিলী ব্যাংকে এক বা একাধিক হিসাব খোলা যাবে ।
২। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ এর মধ্যে কোষাধ্যক্ষসহ যে কোন দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে।
৩। সংগঠনের স্বার্থে পর্যাপ্ত তহবিল থাকলে ক্ষেত্র বিশেষে বিভিন্ন প্রকার সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত প্রভৃতি ¯ী^কৃত খাতে তহবিল বিনিয়োগ করা যাবে তবে এরূপ বিনিয়োগ অবশ্যই কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদিত হতে হবে।

ধারা-২৫ঃ হিসাব নিরীক্ষা
সংগঠনের সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব বছরে অন্তত: একবার আভ্যন্তরীণ এবং দুই বছরে অন্তত একবার অনুমোদিত নিরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষা করাতে হবে এবং প্রতিবেদন নিরীক্ষা পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপন করতে হবে।

ধারা-২৬ঃ নিরীক্ষা কমিটির গঠন, দায়িত্ব ও ক্ষমতা
১। সংগঠনের সকল প্রকার হিসাব নিরীক্ষার জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি অভ্যন্তরীন নিরীক্ষা কমিটি প্রয়োজন অনুসারে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় গঠন করা হবে।
২। নিরীক্ষা কমিটি প্রতি ছয় মাস পর পর প্রয়োজন মনে করলে হিসাব নিরীক্ষা করতে পারবে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ তাদের কাজে সহযোগিতা করবে তবে নিরীক্ষা কমিটি বছরের শেষে সাধারন সভার পূর্বে অবশ্যই সংগঠনের সকল হিসাব নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন প্রদান করবেন।
৩। নিরীক্ষা কমিটি তাঁদের ষান্মাসিক নিরীক্ষা রিপোটর্ (যদি খাকে) সভাপতির মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদে পেশ করবে এবং বার্ষিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সাধারণ সভায় পেশ করবেন।
৪। অভ্যন্তরীন নিরীক্ষা কমিটিকে কোন সম্মানী প্রদান করা হবে না।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ

ধারা-২৭ঃ গঠনতন্ত্র
সংগঠনের এ গঠনতন্ত্র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনী দলিল হিসেবে গণ্য হবে। এ গঠনতন্ত্রের আলোকে কার্যনির্বাহী পরিষদ বিভিন্ন নীতিমালা, বিধি, ফরম ইত্যাদি তৈরী করতে পারবে তবে গঠনতন্ত্রের কোন ধারার সাথে সাংঘর্ষিক কোন নীতিমালা বা বিধি করা যাবে না, করলেও তা বাতিল বলে গন্য হবে। এ গঠনতন্ত্রের পাঁচটি অনুচ্ছেদে মোট ২৮টি ধারা আছে। কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনে এ গঠনতন্ত্রের একটি ইংরেজী পাঠ তৈরী করবে তবে বাংলা ও ইংরেজী পাঠে কোন বিরোধ তৈরী হলে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে।

ধারা-২৮ঃ গঠনতন্ত্রের সংশোধন/সংযোজন/বিয়োজন/পরিমার্জন
যে কোন সদস্য একক বা সম্মিলিত ভাবে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব আনতে পারবেন। তবে সে প্রস্তাব সাধারণ সভার নূন্যতম ৩ (তিন) মাস পূর্বে (আনুমানিক ৩০ শে মার্চ) উত্থাপন করতে হবে। নির্বাহী পরিষদ এ সংশোধনী প্রস্তাব বিবেচনার পর সকল সদস্যদের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা অবহিত করবেন এবং সাধারণ পরিষদের সভার আলোচ্যসূচীতে এ বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করবেন। তবে বানান ভুল, ব্যাকরণজনিত ভুল, μমিকের ভুল বা সাধারণ করনিক ভুল সংশোধনী প্রস্তাব ব্যতিরেকে সংশোধন করা যাবে।